Breaking News

৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায় সৃজনশীল

৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায় সৃজনশীল: আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকের আর্টিকেলে ৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করা হবে। কথা না বাড়িয়ে তাহলে চলুন শুরু করি।

৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায় সৃজনশীল

প্রশ্ন ১। তানিয়া অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। তাকে ক্লাসের সবাই পছন্দ করে। কোনো কাজে তার উৎসাহের কমতি নেই। কিন্তু হঠাৎ করে তার ভেতরে কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। তার আচার-আচরণ, চাল-চলন সবকিছুতেই পরিবর্তন এসেছে। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

ক. মস্তিষ্কের তলদেশে কোন গ্রন্থি থাকে?
খ. হরমোন বলতে কী বোঝ?
গ. উদ্দীপকের তানিয়া কীভাবে সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে? জনপ্রিয় হওয়ার ধাপগুলোর আলোকে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. তানিয়ার এই অস্বাভাবিক আচরণের কারণ কী? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

১ নং প্রশ্নের উত্তর

ক। মস্তিষ্কের তলদেশে পিটুইটারি গ্রন্থি থাকে।

খ। মানুষের দেহে কতগুলো বিশেষ গ্রন্থি থাকে। এগুলো কিছু রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। এসব উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন জৈব রাসায়নিক পদার্থই হলো হরমোন। এই হরমোন রক্তের মাধ্যমে বাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে দেহের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটায় এবং দেহের বিভিন্ন কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

গ। তানিয়া অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। সব কাজেই তার অনেক উৎসাহ। এজন্য তাকে ক্লাসের সবাই পছন্দ করে। তানিয়া নিয়মিত লেখাপড়া করে। ক্লাসের সবার সাথে বন্ধুর মতো মেশে। সবাইকে নানা কাজে সহযোগিতা করে। যেকোনো সমস্যা গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করে। স্কুলে পাঠ্যক্রম বহির্ভূত যেসব কার্যক্রম চলে, তানিয়া সেগুলোতে অংশগ্রহণ করে।

যেমন- খেলাধুলা, আবৃত্তি, গান, অভিনয়, বিতর্ক, কুইজ প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞানমেলা ইত্যাদি। তানিয়া সহপাঠী ও বন্ধু- বান্ধব ছাড়াও আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশিদের খোঁজখবর নেয়, দেখা হলে কুশল বিনিময় করে, সবার বিপদে এগিয়ে আসে। এসব কাজের মধ্য দিয়ে সে সবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখে। এভাবেই তানিয়া সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

ঘ। তানিয়ার অস্বাভাবিক আচরণের কারণ হলো বয়ঃসন্ধিকাল। বয়ঃসন্ধিকালের সময়সীমা ১০/১১-১৮/১৯ বছর। তবে ১০/১১ থেকে ১৪/১৫ বছর সময়টাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় ছেলেমেয়ের মধ্যে নানা রকম পরিবর্তন আসে (ছেলেদের মুখে দাঁড়ি-গোফ গজায়, উচ্চতা ও ওজন বাড়ে। মেয়েদের বুক স্ফীত হয়, ওজন ও উচ্চতা বাড়ে ইত্যাদি)।

তানিয়ার মধ্যেও কিছু পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। তার আচার-আচরণ, চাল-চলন সবকিছুতে পরিবর্তন ঘটেছে। বয়ঃসন্ধিতে দেহের আকার- আকৃতির পরিবর্তন হয়। ছেলে-মেয়েদের উচ্চতা ও ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে। বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বৃদ্ধিতে তারা পূর্ণবয়স্কের রূপধারণ করে। বয়ঃসন্ধির পরিবর্তনের জন্য দায়ী হলো দেহে উৎপন্ন কিছু রাসায়নিক পদার্থ; যা হরমোন নামে পরিচিত। অনেক সময় বয়ঃসন্ধিকালে পরিবারে বিশেষ করে বাবা-মার সাথে ছেলে-মেয়েদের সম্পর্কের পরিবর্তন আসে। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

আরও দেখুন  ৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল

এ সময় তারা স্বাধীনভাবে চলতে পছন্দ করে। তাদের কোনো কাজে বড়দের হস্তক্ষেপ তারা পছন্দ করে না। শারীরিক পরিবর্তনের জন্য বয়ঃসন্ধিক্ষণে ক্যালরি বা শক্তি ক্ষয় বেশি হয়। তাই কাজে অনীহা, বিরক্তি, পড়াশোনায় একঘেঁয়েমি ডাব ও ক্লান্তি আসে। সুতরাং, বয়ঃসন্ধিকালের জন্য তানিয়ার আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা যাচ্ছে।

প্রশ্ন ২। ৮ম শ্রেণির দিপুর মধ্যে হঠাৎ করে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। প্রায় ক্ষেত্রে সে বাবা-মায়ের সাথে রাগারাগি করে, বাইরে যেতে চায়, পড়াশোনার প্রতি অনীহা, কারো সাথে খাপ খাওয়াতে পারে না। মা এতে চিন্তিত হন। এ অবস্থায় দিপুর চাচি তার মাকে বলেন, “এটি দিপুর একটি বিশেষ সময়। মা-বাবার সাথে সহজ সম্পর্কই দিপুকে বিভিন্ন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে।” (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

ক. কোন বয়সটিকে কৈশোরকাল বলে?
খ. কৈশোরকালকে ঝড়-ঝঞ্ঝার কাল বলা হয় কেন?
গ. দিপুর আচরণগত পরিবর্তনের কারণ কী? বাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকে দিপুর চাচির উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

২ নং প্রশ্নের উত্তর

ক। ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সকে কৈশোরকাল বলে।

খ। বয়ঃসন্ধিক্ষণে ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তনগুলোর ফলে তাদের মধ্যে অসঙ্গত আচরণ লক্ষ করা যায়। এছাড়া এ বয়সে তারা স্বাধীনভাবে চলতে পছন্দ করে। তারা বড়দের হস্তক্ষেপ পছন্দ করে না। মা-বাবার সাথে ছেলেমেয়েদের সম্পর্কের অবনতি হয়। তাই বয়ঃসন্ধিক্ষণকে ঝড়-ঝঞ্ঝার বয়স বলা হয়। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

গ। দিপুর আচরণগত পরিবর্তনের কারণ হলো হরমোনের প্রভাব। স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়ায় হরমোন তৈরির পর সরাসরি রক্তের মাধ্যমে বাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এটি দেহের বিভিন্ন কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। বয়ঃসন্ধিক্ষণে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিক হরমোন নিঃসৃত হয়।

এ হরমোন শুক্রাশয়ের বৃদ্ধি ঘটায়। তখন শুক্রাশয় থেকে ক্ষরিত হয় টেস্টোস্টেরন হরমোন। এ হরমোনের দ্বারাই ছেলেদের শুক্রাণু তৈরি হয় ও তাদের মাঝে বিভিন্ন যৌন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। তারা স্বাধীনভাবে চলতে পছন্দ করে। এছাড়াও তাদের কাজে অনীহা, পড়াশোনায় একঘেয়েমি ও ক্লান্তি আসে। তাদের কোনো কাজে বড়দের হস্তক্ষেপ পছন্দ করে না। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

উদ্দীপকে দিপুর মধ্যে হঠাৎ কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। প্রায় ক্ষেত্রে সে বাবা-মায়ের সাথে রাগারাগি করে। বাইরে যেতে চাওয়া, পড়াশুনার প্রতি অনিহা, পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে না পারা ইত্যাদি তার বয়সন্ধিক্ষণের বিভিন্ন পরিবর্তনের লক্ষণ। দিপুর এ লক্ষণসমূহ বয়ঃসন্ধিকালীন উৎপাদিত হরমোনের প্রভাবে ঘটে থাকে।

আরও দেখুন  ৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৩য় অধ্যায় সৃজনশীল

ঘ। দিপুর চাচির উক্তিতে তার বয়ঃসন্ধিক্ষণে পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে পিতা-মাতার ভূমিকাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে যা পুরোপুরি যথার্থ। বয়ঃসন্ধিক্ষণে মা-বাবার কাছে তাদের চাহিদার কথা খোলামেলাভাবে প্রকাশ করা দরকার। তাদের পারিবারিক দায়িত্ব পালনে অসুবিধা বা শারীরিক কোনো সমস্যা থাকলে তা মা-বাবাকে জানানো প্রয়োজন।

এ সময় ছেলেমেয়েদের সঠিক তত্ত্বাবধান ও যত্নের প্রয়োজন সঠিক তত্ত্বাবধানের অভাবে তারা বিপথগামী হয়। এ সময় পারিবারিক সম্পর্ক ভালো হলে বিভিন্ন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানো সহজ হয়। দিপু বয়ঃসন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে। এ সময় দ্রুত শারীরিক বর্ধন হয় বলে এর প্রভাব আচরণেও প্রকাশ পায়। এ সময় ছেলেমেয়েরা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে চায়, বড়দের হস্তক্ষেপ পছন্দ করে না। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

এসব কারণে মা-বাবার সাথে ছেলেমেয়েদের সম্পর্কের অবনতি হয়, যা দিপুর ক্ষেত্রেও দেখা যায়। তাই দিপুর চাচি বলেছেন, ‘এটি একটি বিশেষ সময় এবং এ সময় বাবা-মায়ের সাথে সহজ সম্পর্কই বিভিন্ন পরিবেশে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে। সুতরাং বলা যায় যে, দিপুর চাচির বক্তব্যটি সঠিক।

প্রশ্ন ৩। অষ্টম শ্রেণির ছাত্র কারিফ বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী কেনা এবং বন্ধু বান্ধবদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার জন্য টাকা চাইলে তার বাবা-মা রাগ করে। এত তার খুব মন খারাপ হয়। অপর দিকে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া তার ছোট বোন সুমনা মনোযোগ সহকারে পড়াশুনা করে এবং কোন নিয়ম ভঙ্গ করে না। সে সব সময় শিক্ষকের প্রশ্নের স্বতঃস্ফূর্ত উত্তর দেয়। ফলে তার পরীক্ষার ফলাফলও ভালো হয়। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

ক. গ্রোথ হরমোন কাকে বলে?
খ. বয়ঃসন্ধিক্ষণের পরিবর্তনের সময়কাল একেক জনের একেক রকম- ব্যাখ্যা করো।
গ. কারিফের সাথে বাবা-মায়ের সম্পর্কের অবনতির কারণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সুমনার মত শিক্ষার্থীদের জীবনে সফলতা অনেকখানি নির্ভর করে তাদের স্কুল জীবনের সাফল্যের উপর- কথাটির সপক্ষে যুক্তি দাও।

৩ নং প্রশ্নের উত্তর

ক। যে হরমোন মানুষের দৈহিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে তাকে গ্রোথ হরমোন বলে।

খ। বয়সন্ধিক্ষণের পরিবর্তনের সময়কাল একেক জনের একেক রকম। সাধারণত ১০/১২-১৪/১৫ বছর সময়টি বয়ঃসন্ধিকাল হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় ছেলে-মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন হয়। কারও কারও নির্দিষ্ট বয়সের আগে এ পরিবর্তন শুরু হয়। কারও কারও নির্দিষ্ট সময়ের পরে এ পরিবর্তন শুরু হয়। বংশগত কারণ, আবহাওয়া, খাদ্যাভ্যাস, অপুষ্টি ইত্যাদি কারণে এই পরিবর্তনের সময়কাল একেক জনের একেক রকম হয়।

আরও দেখুন  ৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় অধ্যায় সৃজনশীল

গ। কারিফের সাথে বাবা-মায়ের সম্পর্কের অবনতির কারণ হলো বয়ঃসন্ধিকাল। সাধারণত ১০/১২-১৮/১৯ বছর বয়সকে বয়ঃসন্ধিকাল বলা হয়। এ সময়ে বাবা-মা এবং সন্তানদের সম্পর্কের অবনতি হয়। বয়ঃসন্ধিক্ষণের ছেলেমেয়েদের সাথে বয়সের পার্থক্য, সামাজিক বিভিন্ন পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট মনোভাবের পার্থক্যের জন্য বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। তারা মনে করে পিতা-মাতা বর্তমান সময়ের অনুপযোগী। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

ফলে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয় এবং তারা পরস্পরকে এড়িয়ে চলে। এ সময় ছেলেমেয়েরা স্বাধীনভাবে চলতে পছন্দ করে। তাদের কোনো কাজে বড়দের হস্তক্ষেপ পছন্দ করে না। পরিবারের আরোপিত বিধি-নিষেধের বিরোধিতা করে। কারিফ বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী কেনা এবং বন্ধু-বান্ধবদের সাথে বেড়াতে যাওয়ার জন্য টাকা চাইলে তার বাবা-মা রাগ করে।

এতে তার খুব মন খারাপ হয়। কারিফ বয়ঃসন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে। এ সময়ে ছেলে- মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক উভয়ক্ষেত্রে পরিবর্তন ঘটে। বয়ঃসন্ধিতে ছেলে-মেয়েদের বন্ধুদের সাথে বেড়ানো, পোশাক-পরিচ্ছদ কিংবা শিক্ষা উপকরণের চাহিদা থাকে। অসচ্ছলতা বা অন্য কোনো কারণে পরিবার চাহিদা পূরণ করতে না পারলে বা চাইলে ছেলে-মেয়েদের মধে অসন্তোষ দেখা যায়।

ঘ। সুমনার মত শিক্ষার্থীদের জীবনের সফলতা অনেকখানি নির্ভর করে তাদের স্কুল জীবনের সাফল্যের উপর। কথাটির সাথে আমি একমত। পরিবারের বাইরে ছেলে-মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সময় কাটে স্কুলে ও সমবয়সীদের সাথে। স্কুলের পরিবেশে যদি ভালোভাবে খাপ খাওয়ানো যায়, তবে পরবর্তী জীবনেও তা সহজ হয়। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

আর স্কুল জীবনের সফলতার উপরেই পরবর্তী জীবনের সফলতা অনেকখানি নির্ভর করে। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া সুমনা মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করে এবং কোনো নিয়ম ভঙ্গ করে না। সে সব সময় শিক্ষকের প্রশ্নের স্বতঃস্ফূর্ত উত্তর দেয়। ফলে তার পরীক্ষার ফলাফলও ভালো হয়। যারা ভদ্র, বিনয়ী, ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে শিক্ষকের কথা শোনে, সেসব ছাত্র- ছাত্রীদের শিক্ষকেরা বেশি প্রশংসা এবং উৎসাহ প্রদান করেন। আর যারা স্কুলের নিয়ম ভঙ্গ করে, পড়াশোনায় অমনোযোগী তাদেরকে শিক্ষকেরা অপছন্দ করেন। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

শিক্ষকের প্রশংসা ও উৎসাহ স্কুলের প্রতি ছাত্র- ছাত্রীদের আগ্রহ বাড়ায়, লেখাপড়ায় সফলতা দেয়। শিক্ষকের সহায়তা ও ছাত্র-ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, এ দুটি মিলে শেখার কাজটি অনেক বেশি সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে উঠতে পারে। ফলে জীবনে সফলতা অর্জিত হয়। সুতরাং, সুমনার মতো শিক্ষার্থীদের জীবনের সফলতা স্কুল জীবনের সাফল্যের উপর নির্ভর কে করে। (৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৪র্থ অধ্যায়)

আশাকরি আমাদের আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। শিক্ষা বিষয়ক সকল ধরণের আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভালো থাকবেন সবাই, ধন্যবাদ।

About মেরাজুল ইসলাম

শিক্ষা মেলা একটি শিক্ষা মূলক ওয়েবসাইট। এখানে নিন্ম মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক সহ সকল শ্রেণির সাজেশন, প্রশ্নোত্তর ও আর্টিকেল শেয়ার করা হয়।

Check Also

৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায়

৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল

৮ম শ্রেণির গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল: আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *