Breaking News

সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর: আপনি কি একাদশ শ্রেণির ছাত্র? সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনার জন্য। আজকের আর্টিকেলে সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করা হবে। কথা না বাড়িয়ে তাহলে চলুন শুরু করি।


সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন ১। মারুফ অনেকের মতো সমাজে বাস করে। সে মনে করে, মানব সমাজে বাস করতে হলে সামাজিক আইন-কানুন ও আচার-আচরণের জ্ঞান আবশ্যক। একথা প্রসঙ্গে মুহসীন বলল, আমাদের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের সামাজিক সমস্যা উপলব্ধি করার জন্য সমাজ সম্পর্কিত একটি বিষয় অতীব গুরুত্বপূর্ণ। মারুফ এ বিষয়টিকে একটি মানবতাবাদী বিজ্ঞান হিসেবে উল্লেখ করে থাকে।

ক. কাকে সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়?
খ. সমাজ গবেষণায় নিরপেক্ষতা আবশ্যক— ব্যাখ্যা কর।
গ. মারুফের উল্লিখিত বিষয়টির চর্চার পটভূমি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্যাখ্যা কর।
ঘ. মুহসীনের বক্তব্যটি মারুফের উল্লিখিত বিষয়টির গুরুত্বের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ— তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? বিশ্লেষণ কর।

১নং প্রশ্নের উত্তর

ক। ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী অগাস্ট কোঁতকে সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

খ। সমাজের যেকোনো সমস্যার কারণ উদ্ঘাটন এবং তার যথাযথ প্রতিকারের জন্য প্রয়োজন গবেষণা। গবেষণার মাধ্যমে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় এবং প্রাপ্ত তথ্য বিচার বিশ্লেষণ করে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। এ জন্য গবেষণায় নিরপেক্ষতা আবশ্যক। তা না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে না। আর সঠিক তথ্য না পেলে গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবমুখী হবে না। এ জন্য বাস্তবমুখী ও কার্যকরী পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজন নিরপেক্ষ সামাজিক গবেষণা।

গ। উদ্দীপকে মারুফ সামাজিক আইন-কানুন ও আচার-আচরণের জ্ঞান সম্পর্কিত একটি বিষয়ের কথা বলে। সে এ বিষয়টিকে মানবতাবাদী বিজ্ঞান হিসেবেও উল্লেখ করে। পাঠ্যবইয়ের তথ্যানুযায়ী সমাজবিজ্ঞান হলো সামাজিক আইন-কানুন ও আচার- আচরণ সম্পর্কিত বিজ্ঞান। তাছাড়া এটিকে মানবতাবাদী বিজ্ঞান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অতএব বলা যায় মারুফ সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক জ্ঞানের কথা বলেছে।

আরও দেখুন  (উত্তর সহ) সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিক সমাজবিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত হয়। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ দখলকারী ব্রিটিশদের হাত থেকে মুক্তি অর্জনের আগে চল্লিশের দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখক রাধাকমল মুখার্জি, ডি এন মজুমদার, নির্মল কুমার বসু ও বিনয় কুমার সরকার বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

সে সময় কয়েকজন মার্ক্সবাদী বাঙালি সমাজবিজ্ঞানীদের লেখা পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এম এন রায়, মোজাফফর আহমদ, সুশোভন সরকার, গোপাল হালদার ও বিণয় ঘোষ। এসব সমাজচিন্তাবিদ বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক অনেক আলোচনা সমালোচনা করেছেন এবং সমাজ পরিবর্তনের কথা বলেছেন। এসব সমাজচিন্তাবিদদের মাধ্যমে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি নির্মিত হয়েছে।

ঘ। ‘আমাদের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের সামাজিক সমস্যা উপলব্ধি করার জন্য সমাজবিজ্ঞান অতীব গুরুত্বপূর্ণ।’ মুহসীনের এ বক্তব্যটি মারুফের উল্লিখিত বিষয়টির গুরুত্বের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আমি বক্তব্যটির সাথে একমত। কেননা অধিক জনসংখ্যা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, পুষ্টিহীনতা ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রধান প্রধান সামাজিক সমস্যা।

এ সমস্যাগুলোর কিছু ধীরে ধীরে জটিল আকার ধারণ করছে, আবার কিছু হ্রাস পাচ্ছে। সমাজবিজ্ঞান এসব সামাজিক সমস্যার কারণ, প্রভাব ও প্রতিকার বিষয়ক বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা ও গবেষণা করে। সমাজবিজ্ঞানের গবেষণালব্ধ এ জ্ঞান সামাজিক সমস্যা সমাধানে কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। সমাজ ও রাজনীতি ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। সমাজ থেকেই রাজনীতির উদ্ভব হয়।

তাই সমাজ রাজনীতিকে প্রভাবিত করে, আবার রাজনীতি সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু যদি সমাজ ও রাজনীতি বিপরীতমুখী হয়, তবে মানুষের জীবন হুমকির সম্মুখীন হয়। দীর্ঘদিনের চলে আসা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং নোংরামি বাংলাদেশের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

🔰🔰 আরও দেখুন: ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস

অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের ধারা থমকে আছে অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সমাজবিজ্ঞান অধ্যয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

প্রশ্ন ২। ‘ক’ সমাজবিজ্ঞানের একটি কনিষ্ঠতম শাখা। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের সমাজ যতই উন্নত, আধুনিক হচ্ছে সমাজ ততই জটিল হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সামাজিক সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধানে আমাদের দেশে ‘ক’ বিষয়টি পাঠের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও দেখুন  সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ৪র্থ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

ক. ‘অর্থশাস্ত্র’ গ্রন্থের লেখক কে?
খ. কোনো পরিকল্পনায় গ্রহণ ও বাস্তবায়নে সমাজবিজ্ঞানে জ্ঞানের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
গ. বাংলাদেশে ‘ক’ বিষয়টি চর্চার পটভূমি বর্ণনা করো।
ঘ. বাংলাদেশে উক্ত বিষয়টির বিকাশধারা বিশ্লেষণ করো।

২নং প্রশ্নের উত্তর

ক। ‘অর্থশাস্ত্র’ গ্রন্থের লেখক কৌটিল্য।

খ। কোনো পরিকল্পনা কাদের জন্য করা হবে, সমাজের কোন কোন শ্রেণির মানুষ এতে কতটা উপকৃত হবে এসব পরিকল্পনা মানব আচরণ তথা সামাজিক সম্পর্কের ওপর গভীর প্রভাব রাখে। তাছাড়া উন্নয়নের পরিকল্পনা কতটা, কীভাবে ফলপ্রসূ করা যাবে; অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতাগুলো কী কী; কীভাবে তা দূর করে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা যায় তা সমাজবিজ্ঞান আলোচনা করে থাকে। তাই যেকোনো পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞান সম্পর্কিত জ্ঞানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গ। উদ্দীপকে ‘ক’ বিষয়টি দ্বারা সমাজবিজ্ঞানকে বোঝানো হয়েছে। কারণ সমাজবিজ্ঞান সামাজিক বিজ্ঞানের একটি কনিষ্ঠতম শাখা। এছাড়া রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সামাজিক সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত সমাধানে সমাজবিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি নিচে আলোচনা করা হলো— ১৮৫৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক সমাজবিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত হয়। ১৯২৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা কলেজকে কেন্দ্র করে একটি ক্ষুদ্র মধ্যবিত্ত শ্রেণিভুক্ত বুদ্ধিজীবী গোষ্ঠীর বিকাশ ঘটে, যারা শিক্ষাগোষ্ঠী নামে পরিচিত ছিল।

১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে দখলকারী ব্রিটিশদের হাত থেকে মুক্তি অর্জনের আগে চল্লিশের দশকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখক রাধাকমল মুখার্জি, ডি এন মজুমদার, নির্মল কুমার বসু ও বিনয় কুমার সরকার বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সেসময় কয়েকজন মার্ক্সবাদী বাঙালি সমাজবিজ্ঞানীদের লেখা পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এমএন রায়, মোজাফফর আহমদ, সুশোভন সরকার, গোপাল হালদারও বিনয় ঘোষ।

এসব সমাজচিন্তাবিদ বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ক অনেক আলোচনা সমালোচনা করেছেন এবং সমাজ পরিবর্তনের কথা বলেছেন। এসব সমাজচিন্তাবিদদের মাধ্যমে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের চর্চার পটভূমি প্রথিতযশা হয়েছে।

আরও দেখুন  এইচএসসি গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম পত্র ৪র্থ অধ্যায় সৃজনশীল

ঘ। বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানে বিকাশধারা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো, একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানকে প্রতিষ্ঠার পটভূমি প্রস্তুত করতে ১৯২১ সাল থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্তএ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বহু জ্ঞানী শিক্ষক ও অন্যান্য বিদ্বান ব্যক্তির সমাজচিন্তামূলক অনেক মূল্যবান নিবন্ধ ও পুস্তক প্রকাশনা এবং বিভিন্ন সেমিনারে বিভিন্ন মননশীল প্রবন্ধ পাঠ এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

১৯৫০ সালে প্রখ্যাত ফরাসি প্রফেসর লেভী স্ট্রস বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, পঠন- পাঠনে সম্ভাব্যতা যাচাই করার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসেন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। তার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অজিত কুমার সেন ও নাজমুল করিম দেখা করেন এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর সাহায্য সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। এরই ফলশ্রুতিতে ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ ফরাসি সামাজিক নৃবিজ্ঞানী ড. পেরী বেসাইনী প্রথম বিভাগের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।

পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে ১৯৬৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ আত্মপ্রকাশ করে এবং ১৯৭০ সালে সম্মান কোর্স শুরু হয়। ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজতত্ত্ব একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতো রাজশাহী এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে বহু সমাজতাত্ত্বিক গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেছেন।

সমাজবিজ্ঞানের বিকাশের জন্য বিভিন্ন কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি এবং ডিগ্রি কোর্সে সমাজবিজ্ঞান চালু হয়। ১৯৮৬ সালে প্রথম জগন্নাথ কলেজে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সমাজবিজ্ঞান চালু হয়। বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়সহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কলেজগুলোতে সমাজবিজ্ঞান স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং সমাজবিজ্ঞানের পরিচর্যা চলছে।

আশাকরি আমাদের আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। শিক্ষা বিষয়ক সকল ধরণের আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভালো থাকবেন সবাই, ধন্যবাদ।

About মেরাজুল ইসলাম

শিক্ষা মেলা একটি শিক্ষা মূলক ওয়েবসাইট। এখানে নিন্ম মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক সহ সকল শ্রেণির সাজেশন, প্রশ্নোত্তর ও আর্টিকেল শেয়ার করা হয়।

Check Also

সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

(উত্তর সহ) সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর: আপনি কি একাদশ শ্রেণির ছাত্র? সমাজবিজ্ঞান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *