Breaking News

নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল

নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল: আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকের আর্টিকেলে নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করা হবে। কথা না বাড়িয়ে তাহলে চলুন শুরু করি।

নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় সৃজনশীল

প্রশ্ন ০১। সোনিয়াদের ক্লাসে শিক্ষক গৃহ ব্যবস্থাপনার ধারণা কাঠামো নিয়ে পড়াচ্ছিলেন। তিনি বলেন, গৃহ ব্যবস্থাপনা হলো কতগুলো মানসিক ও শারীরিক কর্মপদ্ধতির সমষ্টি। একটি পরিবারকে তার সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্যে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে পরিবার কতগুলো কাজ করে উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য অর্জন করে। এ লক্ষ্য অর্জনই হচ্ছে গৃহ ব্যবস্থাপনা কাঠামোর সর্বশেষ ধাপ। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

ক. সংগঠনের বিভিন্ন ধারাকে কার্যকরী করে তোলে কোনটি?
খ. সিদ্ধান্ত গ্রহণের তৃতীয় পর্যায়টি ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে সম্পদের ব্যবহার বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপক হতে গৃহ ব্যবস্থাপনা কাঠামোর সর্বশেষ ধাপটি অর্জনের উপায় বিশ্লেষণ করো।

১ নং প্রশ্নের উত্তর

ক। সংগঠনের বিভিন্ন ধারাকে কার্যকরী করে তোলে নিয়ন্ত্রণ।

খ। সিদ্ধান্ত গ্রহণের তৃতীয় পর্যায় হলো বিকল্পসমূহ সম্পর্কে চিন্তা। এ পর্যায়ে সমস্যা সমাধানের বিকল্প পন্থাগুলো বিশদভাবে মূল্যায়ন করা হয়। প্রত্যেকটি বিকল্পের ফলাফল, এর সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করে দেখতে হয়। সিদ্ধান্তের এ পর্যায়ের জন্য প্রখর চিন্তাশক্তির প্রয়োজন। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

গ। উদ্দীপকে গৃহ ব্যবস্থাপনায় মানবীয় ও বস্তুবাচক সম্পদ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের জন্যে মানবীয় ও বস্তুবাচক সম্পদ ব্যবহারের জন্যে পরিকল্পনা, সংগঠন, নিয়ন্ত্রণ ও মূল্যায়ন করার প্রক্রিয়াই হলো গৃহ ব্যবস্থাপনা। লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে আমাদের সকল কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয়। লক্ষ্য নির্দিষ্ট হলেই তা অর্জনের কার্যাবলিও সঠিকভাবে সম্পাদিত হয়।

পরিবারের লক্ষ্যগুলো স্থির হওয়ার পর সব রকম সম্পদের ধারণা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হয়। পারিবারিক চাহিদাগুলো পূরণ করতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সম্পদের ব্যবহারে দক্ষতা একান্ত প্রয়োজন। বস্তুগত ও মানবীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমেই পারিবারিক লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব।

ঘ। গৃহ ব্যবস্থাপনা কাঠামোর সর্বশেষ ধাপ হলো লক্ষ্য অর্জন। লক্ষ্য হলো গৃহ ব্যবস্থাপনার মূল চাবিকাঠি। লক্ষ্যকে কেন্দ্র করেই সকল কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয়। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য আমাদের যেভাবে কাজের ধারা নির্ধারণ করে দেয় আমরা সে অনুযায়ী এগিয়ে যাই। একটি লক্ষ্য অর্জন হলেই নতুন লক্ষ্য স্থির করা হয়। সাধারণত মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে আমাদের লক্ষ্য স্থির হয়।

আরও দেখুন  নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল

লক্ষ্য হচ্ছে একটি কাম্য উদ্দেশ্য; যার সুনির্দিষ্ট পরিধি আছে এবং যা ব্যক্তির কার্যাবলিকে নির্দেশ দান করে। কাম্য লক্ষ্যটি ব্যবস্থাপকের কাছে সুস্পষ্ট না হলে তা অর্জন করা সম্ভব নয়। লক্ষ্য নির্দিষ্ট হলেই তা অর্জনের কার্যাবলিও সঠিকভাবে সম্পাদিত হবে। লক্ষ্য ব্যবস্থাপনাকে সহজতর এবং তাকে সাফল্যের সাথে কার্যকর করতে সাহায্য করে। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

পরিবারের প্রত্যেকেরই নিজস্ব কিছু লক্ষ্য থাকে। তবে যখন সম্মিলিতভাবে কোনো কাজ স্থির করা হয়, তখন দ্বন্দ্ব কম হবে এবং লক্ষ্য অর্জনও সহজতর হবে।

প্রশ্ন ২। তাবাসুম নবম শ্রেণির ছাত্রী। ভবিষ্যতে সে একজন চিকিৎসক হতে চায়। বাবা মা লক্ষ করছেন তাবাসুম প্রায়ই স্কুলে যেতে চায় না। পড়াশোনায়ও তেমন একটি আগ্রহ নেই। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

ক. গৃহ ব্যবস্থাপনার মূল চাবিকাঠি কোনটি?
খ. পরিকল্পনার গুরুত্ব লেখো।
গ. তাবাসুমের লক্ষ্যটি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. তাবাসুমের কার্যকলাপে তাৎক্ষণিক লক্ষ্যের ঘাটতি রয়েছে— বিশ্লেষণ করো।

২ নং প্রশ্নের উত্তর

ক। গৃহ ব্যবস্থাপনার মূল চাবিকাঠি হলো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য।

খ। গৃহ ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ পরিকল্পনা করা। লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে যেসব কর্মপন্থা অবলম্বন করা হয় তার পূর্বে কাজটি কীভাবে করা হবে, কেন করা হবে ইত্যাদি সম্বন্ধে চিন্তাভাবনা করার নাম পরিকল্পনা। পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে সমগ্র গৃহ ব্যবস্থাপনার পর্যায়গুলো পরিচালিত হয়। সঠিকভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করলে লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয়। এ কারণে গৃহ ব্যবস্থাপনায় পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

গ। তাবাসুমের লক্ষ্যটি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যকে স্থায়ী লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ লক্ষ্য সময়সাপেক্ষ ও সর্বদা মনের মধ্যে বিরাজমান। আর এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রায়ই স্বল্পমেয়াদি বা মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হয়। মূলত দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আরও দেখুন  নবম-দশম ভূগোল ও পরিবেশ ১ম অধ্যায় সৃজনশীল

উদ্দীপকে নবম শ্রেণির তাবাসুম ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায়। যদিও তার কার্যাবলি তাকে লক্ষ্য পূরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে না। কিন্তু লক্ষ্যের ‘শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী এটি দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

ঘ। তাবাসুমের কার্যকলাপে তাৎক্ষণিক লক্ষ্যের ঘাটতি রয়েছে। তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হলো ছোট ছোট লক্ষ্য যার মধ্যে খুব বেশি কাজের প্রয়োজন হয় না। অল্প কাজ করলেই অনেক সময় লক্ষ্যটি অর্জন করা যায়। তাবাসুম ভবিষ্যতে চিকিৎসক হতে চায়। এটা তার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

এই দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনের জন্য তার মধ্যবর্তীকালীন লক্ষ্যগুলো হলো – বিজ্ঞান বিভাগে পড়ালেখা করা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হওয়া এবং মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য দক্ষতা অর্জন করা। এ সকল লক্ষ্য অর্জনের জন্য তাবাসুমকে নিয়মিত স্কুলে যাওয়া, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা, শ্রেণির কাজ ঠিকমতো সম্পন্ন করা ইত্যাদির প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে।

এগুলোই তার তাৎক্ষণিক লক্ষ্যের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু তাবাসুমের পড়াশোনায় তেমন আগ্রহ নেই। অর্থাৎ তার তাৎক্ষণিক লক্ষ্যের ঘাটতি রয়েছে। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

প্রশ্ন ৩। ৯ম শ্রেণির ছাত্রীদের একটি অন্যতম লক্ষ্য হলো বছর শেষে ১০ম শ্রেণির ছাত্রীদের জন্য বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। এই লক্ষ্যে তারা বছরের প্রথম থেকেই চাঁদা তোলা, উপহার কেনা, খাবার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ইত্যাদি কাজগুলো যেন সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য সুষ্ঠু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাদের ধারণা সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সাফল্যমণ্ডিত হবে। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

ক. গ্রস ও ফ্রান্ডেলের মতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ কী?
খ. নিয়ন্ত্রণ বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছে তা বর্ণনা করো।
ঘ. তুমি কি মনে করো উদ্দীপকের অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত হবে? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

৩ নং প্রশ্নের উত্তর

ক। গ্রস এবং ফ্রান্ডেলের মতে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল কথা হলো সমস্যা সমাধানে একাধিক কার্যক্রম বা পন্থা থেকে একটি বিশেষ কার্যক্রম পছন্দ করা। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

খ। গৃহ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ করা। নিয়ন্ত্রণ বলতে বোঝায় পরিবারের সকল ব্যক্তি শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের কাজে নিয়োজিত কি না তা পর্যবেক্ষণ করা। পরিকল্পিত কর্মসূচি ও পূর্ব নির্ধারিত মান অনুসারে কার্য সম্পাদিত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ, করা ও প্রয়োজনবোধে উপযুক্ত সংশোধনীর ব্যবস্থা করা এ পর্যায়ের কাজ।

আরও দেখুন  নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৩য় অধ্যায় সৃজনশীল

গ। ৯ম শ্রেণির ছাত্রীরা বিদায় অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নিলো। গৃহ ব্যবস্থাপনায় যেমন কতগুলো ধাপের মাধ্যমে কোনো লক্ষ্য অর্জিত হয়, তেমনি তারাও কতগুলো ধাপ অনুসরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করলো।

গৃহ ব্যবস্থাপনায় প্রথমেই একটি লক্ষ্য স্থির করা হয়। বিভিন্ন সদস্যদের মতামত যাচাই করে ও প্রত্যেকের সুবিধা-অসুবিধা যাচাই করে পরিকল্পনা করতে হয়। ৯ম শ্রেণির ছাত্রীরাও অনুষ্ঠান কোথায় হবে, কীভাবে হবে, কী রান্না হবে, যাতায়াত ব্যবস্থা ইত্যাদি পরিকল্পনা করে। তারা সংগঠন ধাপ অনুযায়ী কে কোন কাজ করবে, কোথায় ও কীভাবে কাজ করা হবে, কী কী সম্পদ ব্যবহার করা হবে তা স্থির করে। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

এরপর তারা নিয়ন্ত্রণ ধাপ অনুযায়ী প্রত্যেকে নিজ নিজ কাজ শুরু করে এবং সময়মতো কাজ হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করে। অনুষ্ঠান শেষে তারা নিজেদের কাজের মূল্যায়ন করে। এটি গৃহ ব্যবস্থাপনার সর্বশেষ ধাপ। সুতরাং ছাত্রীদের অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার ধাপসমূহের সাথে গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপসমূহের সাদৃশ্য রয়েছে।

ঘ। আমি মনে করি, ছাত্রীদের অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত হবে। কারণ গৃহ ব্যবস্থাপনায় যেমন একটি লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিকভাবে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হয়, তেমনি ছাত্রীরা তাদের অনুষ্ঠানের জন্য গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপগুলো অনুসরণ করে।

গৃহ ব্যবস্থাপনার ধাপগুলো হলো পরিকল্পনা, সংগঠন, নিয়ন্ত্রণ ও মূল্যায়ন। প্রতিদিনের কাজে সচেতনভাবে আমাদের এই ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়। লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনের কাজের পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা থেকে আরম্ভ করে নিয়ন্ত্রণ, সংগঠন, মূল্যায়ন ধারাবাহিকভাবে চক্রাকারে চলতে থাকে। (নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় )

উদ্দীপকে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীরা তাদের কাজেও এ ধাপ অনুসরণ করে। তারা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করে। প্রত্যেকের মধ্যে কাজগুলো সংগঠিত করে, কাজগুলো হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করে এবং অবশেষে মূল্যায়ন করে। তাই তাদের অনুষ্ঠানটি সাফল্যমণ্ডিত হবে বলে আমি মনে করি।

আশাকরি আমাদের আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। শিক্ষা বিষয়ক সকল ধরণের আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ভালো থাকবেন সবাই, ধন্যবাদ।

 

About মেরাজুল ইসলাম

শিক্ষা মেলা একটি শিক্ষা মূলক ওয়েবসাইট। এখানে নিন্ম মাধ্যমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক সহ সকল শ্রেণির সাজেশন, প্রশ্নোত্তর ও আর্টিকেল শেয়ার করা হয়।

Check Also

নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৩য় অধ্যায়

নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৩য় অধ্যায় সৃজনশীল

নবম-দশম গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ৩য় অধ্যায় সৃজনশীল: আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *